February 16, 2019
  • Home
  • অন্যান্য
  • বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত তারামন বিবি সম্পর্কে সকল তথ্য একসাথে | All Information About Bir Protik Taramon Bibi
অন্যান্য বিসিএস প্রস্তুতি সাধারণ জ্ঞান

বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত তারামন বিবি সম্পর্কে সকল তথ্য একসাথে | All Information About Bir Protik Taramon Bibi

চলে গেলেন বীর প্রতীক তারামন বিবি। শনিবার রাত (১ই ডিসেম্বর, ২০১৮) দেড়টার দিকে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি…ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৬২ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্বামী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে যান।

Like Our Page Join Our Group

তারামন বিবি ১৯৫৭ সালে কুড়িগ্রাম জেলার চর রাজিবপুর উপজেলার শংকর মাধবপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।তার বাবার নাম আবদুস সোহবান এবং মায়ের নাম কুলসুম বিবি
তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে নিজ গ্রাম কুড়িগ্রাম জেলার শংকর মাধবপুরে ছিলেন। তখন ১১ নং সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডার আবু তাহের। মুহিব হাবিলদার নামে এক মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবিকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন।যিনি তারামনের গ্রামের পাশের একটি ক্যাম্পের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি তারামনকে ক্যাম্পে রান্নাবান্নার জন্য নিয়ে আসেন। তখন তারামনের বয়স ছিলো মাত্র ১৩ কিংবা ১৪ বছর। কিন্তু পরবর্তিতে তারামনের সাহস ও শক্তির পরিচয় পেয়ে মুহিব হাবিলদার তাকে অস্ত্র চালনা শেখান।
পরবর্তীতে সহকর্মীদের কাছ থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নিয়ে তাদের সাথে অনেক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭৩ সালে তৎকালীন সরকার মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবিকে তার সাহসীকতা ও বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য “বীর প্রতীক” উপাধিতে ভূষিত করেন। কিন্তু ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হয়নি। ১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক বিমল কান্তি দে প্রথম তার সন্ধান পান। এ কাজে বিমল কান্তিকে সহায়তা করেন কুড়িগ্রামের রাজীবপুর কলেজের অধ্যাপক আবদুস সবুর ফারুকী।
এরপর নারীদের অধিকার নিয়ে কাজ কার কয়েকটি সংগঠন তাকে ঢাকায় নিয়ে আসে। সেই সময় তাকে নিয়ে পত্রিকায় প্রচুর লেখালেখি হয়। অবশেষে ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তার হাতে তুলে দেন। তারামন বিবিকে নিয়ে আনিসুল হকের লেখা ‘বীর প্রতীকের খোঁজে’ নামক একটি বই রয়েছে। আনিসুল হক রচিত ‘করিমন বেওয়া’ নামক একটি বাংলা নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিলেন তারামন বিবি।
তারামন বিবির স্বামীর নাম আবদুল মজিদ।এই দম্পতির এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। তারামন বিবি কুড়িগ্রামের রাজিবপুরে স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে বসবাস করেন।

তারামন বেগম যিনি তারামন বিবি নামে অধিক পরিচিত হলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। ১৯৭৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তার বীরত্বভূষণ নম্বর ৩৯৪। গেজেটে নাম মোছাম্মৎ তারামন বেগম

Like Our Page Join Our Group
Taramon Bibi is one of the two female freedom fighters in Bangladesh obtaining the Bir Protik award. She had engaged in direct combat. She fought for the Mukti Bahini which was a guerrilla force that fought against the Pakistan military in during Bangladesh War of Independence in 1971.
Born: 1957, Kurigram District
Died: December 1, 2018
Award: Bir Protik

Related posts

Sentence connectors বা Conjunctions এর ব্যবহার ও সকল নিয়মাবলী সহজে শিখুন

Admin

নবম/দশম এবং একাদশ শ্রেণীর (ভূগোল, পরিবেশ) বই থেকে বাছাই করা গুরত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর | সাধারণ জ্ঞান প্রস্তুতি

Admin

মুক্তিযুদ্ধে খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী, উইলিয়াম এ এস ঔডারল্যান্ড কে কেন বীরপ্রতীক উপাধি দেওয়া হয়?

Admin

বিসিএস ও চাকরির পরীক্ষায় কনফিউশন সৃষ্টি করে, এরকম বাছাই করা সকল প্রশ্ন ফাঁদ একসাথে পড়ে নিন

Admin

৩৮ তম বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান | 38th BCS Questions Solution

Admin

সমন্বিত ৮ ব্যাংকের MCQ পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান ২০১৮ | Question Solution of 8 Bank MCQ Test 2018

Admin

পোস্টটি সম্পর্কে আপনার মূল্যবান মন্তব্য প্রকাশ করুন।